আন্তর্জাতিক সংবাদ

ইসলাম গ্রহণ করলো নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড়ের মা ও বন্ধু

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে হামলার পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন নিউজিল্যান্ডের রাগবি খেলোয়াড় সনি বিল উইলিয়ামসের মা এবং তার বন্ধু। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সনি বিল উইলিয়ামসের পরিচিত ব্রিটিশ জাজ কণ্ঠশিল্পী জন ফন্টেইন। তিনি টুইটারে লিখেন, ‘আল্লাহু আকবার! সনি বিল উইলিয়ামসের মা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এছাড়া ওফা তুঙ্গাফাসিও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আল্লাহ তাদের পক্ষে এটিকে সহজ করে দিন এবং তাদের জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।’

নিউজিল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, ক্রাইস্টচার্চ হামলার দুই সপ্তাহের কম সময়ের ব্যবধানে দেশটির রাগবি ইউনিয়নের ফুটবলার সনি বিল উইলিয়ামের মা লি উইলিয়াম ইসলামধর্ম গ্রহণ করেন। সনির টিমমেট ও খেলোয়াড় ওফা তুঙ্গাফাসিও ইসলাম গ্রহণ করেন।

জানা গেছে, ২৩ মার্চ নিউজিল্যান্ডের একটি হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হন ওফা তুঙ্গাফাসি। পরে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। একই দিন সনি বিল উইলিয়ামসের মা-ও ইসলাম গ্রহণ করেন। ওফা বলেন, ‘হাসপাতালে মুসলিম ভাইদের দেখার অভিজ্ঞতা ছিল অন্যরকম। আমি তাদের থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছি।’

মেইল অনলাইন নামের এক পত্রিকার প্রতিবেদনে জিম্বাবুয়ে বংশোদ্ভূত ইমাম শেখ সাজিদ উমরের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়। সাজিদ উমর তার টুইটে বলেন, এই মাত্র একটি খুশির খবর এলো। আমাদের ভাই সনি বিল উইলিয়ামের মা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। একই সময় তার বেস্ট ফ্রেন্ড ও টিমমেটও ইসলাম গ্রহণ করেছে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। তিনিই সবচেয়ে দয়ালু। অনেক দূরে থাকা সত্ত্বেও আমি তার ওপর খুবই খুশি হয়েছি। আল্লাহ তাকে আরো সম্মানিত করুন। উল্লেখ্য, সনি উইলিয়াম এক যুগ আগেই ইসলামধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। এতদিন পর তার মা ও বন্ধুও ইসলাম গ্রহণ করলেন।

সৌজন্যে : নয়াদিগন্ত

Comment

লেখক পরিচিতি

জাহিদ হাসান মিলু

আমি জাহিদ। সরকাারি কাগজপত্রের জাহিদুল ইসলাম থেকে বেসরকারি কাগজপত্রে জাহিদ হাসান মিলু- নামের এই বিচিত্র পরিবর্তনের পেছনে একটা মিষ্টি গল্প আছে।
জন্মেছি গোপালগঞ্জ জেলার অখ্যাত গ্রাম প্রশন্নপুরে, ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে। কী এক বিশেষ কারণে যেন কাগজকলমে বয়েস কমিয়ে আমাকে আরও তিনবছরের ছোটো করে রাখা হয়েছে। বাবা মা দুজনেই অক্ষর না শিখেও আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম স্বাক্ষর হয়ে আছেন।
অবুঝ বয়েসে পারিবারিক স্বপ্নের কারণে ভর্তি হতে পেরেছিলাম মাদ্রাসায় , আলহামদুল্লিলাহ। জীবনের সবথেকে বড় পারিবারিক গিফ্ট ছিল এটা আমার জন্য। কুরআন পড়তে শিখলাম, মুখস্থ করতে পারলাম। অর্থ জানলাম এবং ব্যাখ্যাও পড়লাম।
আমাদের পাড়ার মাদ্রাসা কুলিয়ার ভিটায় পড়ার সময় ধর্মের প্রতি আমাদের ভেতরে যে বীজটা রোপিত হয়েছিল, সেটা ডালাপাল মেলে খোলা হাওয়ায় বেড়ে ওঠার সুযোগ পায় প্রাণের প্রতিষ্ঠান এরাবিল মডেল মাদ্রাসায়। তারপর? তারপর আর কি- এখন পড়াশোনা করছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম বিভাগে।
দায়ী হওয়ার স্বপ্ন আমার সবথেকে বড় স্বপ্ন। স্বপ্নটি পূরণ করতেই পড়ছি, শুনছি, দেখছি, শিখছি এবং অপেক্ষা করছি।